স্কুল স্মৃতি --" ফেল দিয়ে শুরু" -এস এ বিপ্লব
----------------------------------------------------
সালটি ছিল ১৯৯৭, তখন আমরা বাংলাবাজার নামক এলাকাতে নতুন। যেহেতু এলাকায় নতুন তো সব নতুন। নতুন মুখ,নতুন স্কুল। কিন্তু মজার বিষয় হলো, আমার জীবনের অন্যতম স্মৃতি যা কিনা দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে জড়িয়ে রয়েছে। যখন নিরব থাকি কিংবা শিক্ষা জীবনে পাস - ফেল নিয়ে কারো সাথে কথা বলি তখন খুব মনে পড়ে। মনে পড়ে জীবনের প্রথম ফেল দিয়ে শুরু করা এই স্কুলে আমার যাত্রা। আমাকে ঐ বছর উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়েছিলো। কিন্তু ভর্তি টা করানো হয়েছিল বার্ষিক এক্সাম কাছাকাছি থাকা অবস্থায়। মানে প্রথম আর ২য় সেমিস্টার শেষ হয়ে গেছে তখন। একে তো বয়স কম,নতুন বই,নতুন স্কুল, সেটাও হাই স্কুল জীবনে প্রথম পরীক্ষা, আবার এতো বই সেটাও নতুন। সব মিলিয়ে আমি শেষ। .
সালটি ছিল ১৯৯৭, তখন আমরা বাংলাবাজার নামক এলাকাতে নতুন। যেহেতু এলাকায় নতুন তো সব নতুন। নতুন মুখ,নতুন স্কুল। কিন্তু মজার বিষয় হলো, আমার জীবনের অন্যতম স্মৃতি যা কিনা দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে জড়িয়ে রয়েছে। যখন নিরব থাকি কিংবা শিক্ষা জীবনে পাস - ফেল নিয়ে কারো সাথে কথা বলি তখন খুব মনে পড়ে। মনে পড়ে জীবনের প্রথম ফেল দিয়ে শুরু করা এই স্কুলে আমার যাত্রা। আমাকে ঐ বছর উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়েছিলো। কিন্তু ভর্তি টা করানো হয়েছিল বার্ষিক এক্সাম কাছাকাছি থাকা অবস্থায়। মানে প্রথম আর ২য় সেমিস্টার শেষ হয়ে গেছে তখন। একে তো বয়স কম,নতুন বই,নতুন স্কুল, সেটাও হাই স্কুল জীবনে প্রথম পরীক্ষা, আবার এতো বই সেটাও নতুন। সব মিলিয়ে আমি শেষ। .
বার্ষিক পরীক্ষা দিলাম, মাস খানেক পর রেজাল্ট বের হলো গিয়ে দেখি চার বিষয়ে ফেল। আমি তো অবাক, শুধু কি আমি, আমার পরিবার ও অবাক। কারণ এটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম রেকর্ড সংখ্যক ফেল। এর পূর্বে কখনো এক বিষয়েও ফেল করিনি আবার এর পরেও কখনো কোন বিষয়ে ফেল করিনি। এ যেন এক অন্যরকম ছাত্র হিসেবে স্কুল জীবনে প্রবেশ হয়ে থাকে আমার। ফেল দিয়ে প্রবেশ করি আর পাস দিয়ে বের হই। আমার জীবনে যেন এটাই নতুন ইতিহাস হয়ে রয়। দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে আমার এই স্মৃতি সারাজীবন মনে থাকবে। এটা আমার জীবনে এক অন্যরকম স্মৃতি হয়ে হৃদয়ে নাড়া দিয়ে যায়। যা কি না এখনো মাঝে মাঝে বন্ধুদের আড্ডায় বলে থাকি এই স্মৃতির কথা।
তবে একটা বিষয় আমার মাথায় ঢুকছে না যে, ডাক্তার, উকিল, ইন্জিনিয়ার সহ সবাই কে শিক্ষা দেন শিক্ষক। অথচ সেই শিক্ষকের মর্যাদা কে বা কারা জরিপ করে নিয়ে গেছে তৃতীয় স্থানে। যেখানে শিক্ষকের মর্যাদা হওয়ার কথা বা থাকার কথা ছিলো ১ম স্থানে। এরপর অন্য দের স্থান হওয়া উচিত। এই বিষয় টি আমার বোধগম্য হয়না। বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। এবং এটা পুণরায় জরিপ করে শিক্ষকের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া উচিৎ।
যাইহোক আমার পছন্দের কিছু শিক্ষকের নাম তুলে ধরছি।
তবে একটা বিষয় আমার মাথায় ঢুকছে না যে, ডাক্তার, উকিল, ইন্জিনিয়ার সহ সবাই কে শিক্ষা দেন শিক্ষক। অথচ সেই শিক্ষকের মর্যাদা কে বা কারা জরিপ করে নিয়ে গেছে তৃতীয় স্থানে। যেখানে শিক্ষকের মর্যাদা হওয়ার কথা বা থাকার কথা ছিলো ১ম স্থানে। এরপর অন্য দের স্থান হওয়া উচিত। এই বিষয় টি আমার বোধগম্য হয়না। বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। এবং এটা পুণরায় জরিপ করে শিক্ষকের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া উচিৎ।
যাইহোক আমার পছন্দের কিছু শিক্ষকের নাম তুলে ধরছি।
স্কুল জীবনে : বদিউল আলম (বদু), সন্তুুষ স্যার, খালেক স্যার,হক স্যার, টি আলী স্যার, জসিম স্যার, মেহের স্যার, লেয়াকত আলী স্যার, মুক্তি আপা, মুকুল্দবাবু, সংকট স্যার সহ আরো অনেকে।
কলেজ জীবনে :- মকবুল স্যার, মনির স্যার, জহির স্যার,জীবন স্যার,আনোয়ার স্যার, হারুন স্যার সহ আরো অনেকে।
সব স্যারের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক ভালবাসা।
⃞ নারায়ণগঞ্জ।


এই পোস্ট সংক্রান্ত আপনার মূল্যবান কমেন্টটি করার জন্য “মাসিক গীতিকবিতার“ পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলো।
এই পোস্ট সংক্রান্ত আপনার মূল্যবান কমেন্টটি করার জন্য “মাসিক গীতিকবিতার“ পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলো।