এক কিংবদন্তির গল্প শুনো
-মাহদী হাসান ফরাজী
--------------------------------------------
আজকে তোমাদের শুনাবো একটি কবিতায়
এক আলেমের জীবন গল্প, নন্দিত বিদায়!
কেমন ছিলেন? কী করতেন? কী তাঁর পরিচয়?
কার সাথে তাঁর হয়েছিল শুভ পরিণয়?
কেমন ছিলেন? খুবই ভালো, নরম ছিল দিল
ব্যবহারে খুব অমায়িক, হৃদয় অনাবিল।
কচিকাঁচা হলেও আগে সালাম দিতেন হেসে
আদর-স্নেহে জড়িয়ে নিতেন পরম ভালোবেসে।
কী করতেন? বলতে গেলে শেষ হবে না বলা
কঠিন হবে এই কবিতার সামনের পথচলা!
সংক্ষেপে তাঁর কারনামা তাই বলছি অধম আজ
শিক্ষকতার শুরু থেকেই করে গেছেন রাজ।
মিফতাহুল উলুম মাদরাসায় শিক্ষকতা শুরু
সফলতার প্রাপ্তি নিয়ে- খানকায় এসে শেষ
শত আলেম ওলামাদের বনে গেছেন গুরু
কিয়ামত পর্যন্ত রবে তাঁর ইলেমের রেশ।
সদকায়ে জারিয়ার যে তিন পন্থা আছে ভবে
সবগুলো পন্থাই তো তিনি রেখে গেছেন সচল
এই দুনিয়ার মায়া ছেড়ে বিদায় নিলেও তবে
তাঁর কখনো নেক আমলের পথ হবে না অচল।
রসুলপুরে জন্ম, শশুরবাড়ি দুগাছিয়ায়
আল্লামা বুরহানের ছোট মেয়ের তিনি জামাই।
ঘর-পরিবার, আত্মীয়তে আছে আলেম, পীর
হাফেজ, মুফতি, মাওলানা, দ্বীনের মুজাহিদ, বীর।
নয়-সাত-তেইশ রবিবারেও সুস্থ সকাল বেলা
মহান রবের নির্দেশেতে হঠাৎ উঠল ব্যথা
সুন্নাহ মেনে হাসপাতালে- হয়নি করা হেলা
ঘুমের মাঝেই চলে গেলেন, হয়নি কোনো কথা।
ছড়িয়ে গেল মৃত্যু খবর, অশ্রুসিক্ত চোখ
শেষ বিদায়ে জমায়েত হল হাজার হাজার লোক।
চোখ জুড়ানো দৃশ্য দেখলাম হাজির ছিলাম বিধায়
কিংবদন্তী, মহিরুহের নন্দিত এক বিদায়।
তোমরা যারা শুনলে আমার কবিতার এই গল্প
ইছালে সাওয়াব জারি রেখো হলেও অল্প অল্প
সূরা ইখলাস তিনবার পড়ে বখশিয়ে দাও ফাঁকে
জান্নাতুল ফেরদাউসে যেন রাখেন আল্লাহ তাঁকে।
হৃদয় থেকে বলো সবাই- আমীন আমীন আমীন
আছো যারা মুহাম্মাদ আলীর ভক্ত মুহিব্বীন।
⃝ কাটাখালী, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ


এই পোস্ট সংক্রান্ত আপনার মূল্যবান কমেন্টটি করার জন্য “মাসিক গীতিকবিতার“ পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলো।
এই পোস্ট সংক্রান্ত আপনার মূল্যবান কমেন্টটি করার জন্য “মাসিক গীতিকবিতার“ পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলো।